মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মোঃ হামিদুল ইসলাম (বি.এ, এলএল.বি)

১.    ব্যক্তিগত তথ্য:

 

নাম

:

মোঃ হামিদুল ইসলাম

বয়স

:

৬৯ বছর

শিক্ষাগত যোগ্যতা

:

বি.এ, এলএল.বি

 

২.    রাজনীতি ও আওয়ামী পরিবারে (৪০ বছর সক্রিয়):

 

i.

গত ১৯৬৯ হইতে ১৯৭৩ইং পর্যন্ত ছাত্র ইউনিয়ন দিনাজপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি ১৯৮০ ইং পর্যন্ত ।

ii.

১৯৭২ হইতে ১৯৭৫ পর্যন্ত সভাপতি ছাত্র ইউনিয়ন, বীরগঞ্জ থানা শাখা।

iii.

১৯৮০ ইং সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে একনিষ্ঠ ভাবে কার্যক্রম শুরু।

iv.

আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের দিনাজপুর জেলা শাখার সাবেক নির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক।

v.

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির সদস্য।

vi.

দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ২০০১ইং সাল হইতে।

vii.

প্রাক্তন সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ।

viii.

১৯৭০ হইতে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর সরকারী কলেজে হোস্টেল (মেইন) মনিটর।

xi.

দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

 

৩.   আইনজীবী (৪৫ বছর অভিজ্ঞতা, এডিশনাল পিপি, পিপি):

 

i.

নারী শিশু অধিকার।

ii.

ইয়াসমীন হত্যা মোকদ্দমার প্রসিকিউটর (বিনা সম্মানি ভাতার)

iii.

বিরোধী দল থাকা অবস্থায় দিনাজপুর জেলার সকল নেতা কর্মীদের বিরুদ্দে আনীত মিথ্যা রাজনৈতিক মামলার আইনজীবি।

iv.

প্রাক্তন এ্যাডিশনাল পিপি ১৯৯৬-৯৭, প্রাক্তন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ১৯৯৭-২০০১, প্রাক্তন পাবলিক প্রসিকিউটর ২০০৯-২০১৫।

 

 

৪.   শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা:

 

i.

ইব্রাহীম মেমোরিয়াল শিক্ষা নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও তৎপর হইতে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি। তাঁর দক্ষ পরিচালনায় ১৯৮৯ সালে ১৩৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরুর পর বর্তমান প্রায় ১৯০০ শিক্ষার্থীর এক বিরাট কলেবরে সগৌরবে অবস্থান করছে প্রতিষ্ঠানটি। সেই সাথে প্রায় ৮৭ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অন্যান্য কর্মচারী এই কর্মযজ্ঞের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। এখান থেকে অনেক শিক্ষার্থী ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পুলিশ ও উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা হিসেবে আসিন হয়েছে। যাহা এই অঞ্চলের জন্য এক আলোক বর্তিকা হিসেবে বিবেচিত।

ii.

১৯৭২ ইং বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ১৯৭২ সাল ও বিভিন্ন সময়ে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।

iii.

বীরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

iv.

১৯৭৩-৭৫ সাল পর্যন্ত বীরগঞ্জ ক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি।

v.

বীরগঞ্জ মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ১৯৯৫ইং।

vi.

আছিয়া নূরানী তা’লিমুল কোরআন ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা এবং এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বর্তমান সভাপতি।

 

৫.   পেশা ও অভিজ্ঞতা: কৃষিকাজ (৪৫ বছর অভিজ্ঞতা)

 

কৃষক হিসাবে আমি চতুর্থ প্রজন্মের এবং আধুনিক কৃষক।

আমার অবদান নিম্নরূপ:

i.

ফলের চাষে সর্বপ্রথম, আমাকে দেখে অনুপ্রাণিত এলাকার কৃষক। সর্বমোট ৫০০০ হেক্টর জমিতে ফলের চাষ এবং ফলে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

ii.

উন্নত প্রযুক্তির ধান চাষ এবং এর বিস্তারে সহায়তা। ১৯৭৩ সাল হইতে উন্নত জাতের আবাদ এবং এলাকার ইহার বিস্তার।

iii.

সমবায় এর মাধ্যমে ফসল বিক্রি-তে সহায়তা।

iv.

সমন্বিত চাষ ফল এবং সবজি।

v.

সামাজিক বনায়ন এর মাধ্যমে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি।

 

 

৬.   পুরস্কার ও সম্মান প্রাপ্তি

 

i.

রেড ক্রিসেন্ট দিনাজপুর এর আজীবন সদস্য।

ii.

ডায়াবেটিক হাসপাতাল দিনাজপুর আজীবন সদস্য।

iii.

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ শাইনিং পার্সোনালিটি এ্যাওয়ার্ড-২০১৮, শ্রেষ্ঠ স্কুল শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসাবে বিশেষ অবদানের জন্য, চেয়ারম্যান, ইব্রাহীম মেমোরিয়াল শিক্ষা নিকেতন, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর।

iv.

অতীশ দীপংকর শাইনিং পার্সোনালিটি এ্যাওয়ার্ড-২০১৮, আইন পেশা ও শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ অবদানের জন্য।

v.

সম্মাননা স্মারক, সেভিল স্কুল এন্ড কলেজ, বালুবাড়ী, দিনাজপুর।

 

 

৭.   সন্তান

 

i.

আঃ কঃ মোঃ নিয়ামুল খোদা, প্রাক্তন ম্যানেজার, গ্রামীণফোন, সিলেট বিভাগ, বাংলাদেশ। বর্তমান G.M – বিকাশ, ঢাকা।

 

স্ত্রী- মোছাঃ ফারজানা আফরোজ ফারজি, এম,এস,এস, লোক প্রশাসন, L.L.B ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ii.

ডঃ আঃ কঃ মোঃ বাশিরুল খোদা সোহান, প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক, বুয়েট ঢাকা।

বর্তমান সহকারী অধ্যাপক, নর্থ ডেকোটা ষ্টেট ইউনিভারসিটি, ফারগো নর্থডেকোটা।

 

স্ত্রী- মাইশা নূরাইয়া আশা, ইঞ্জিনিয়ার (বুয়েট), খন্ডকালীন সহকারী অধ্যাপক, নর্থ ডেকোটা ষ্টেট ইউনিভারসিটি, ফারগো নর্থডেকোটা।

iii.

আঃ কঃ মোঃ নবীউল খোদা শোভন, প্রাক্তন Executive অফিসার, সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ অফিস, ঢাকা।

বর্তমান মাষ্টার অব প্রফেশনাল একাউন্টিং সি.পি,এ অস্ট্রেলিয়া, এসোসিয়েট সদস্য।

 

স্ত্রী- ফ্রানন্সিসকা এন খোদা, প্রসাশক ব্যাচলর ইন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।

 

 

৮.   স্ত্রীর অভিজ্ঞতা ও কর্মকান্ড

 

i.

স্বত্বাধিকারী মেসার্স আছিয়া হাসকিং মিল, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর।

স্বত্বাধিকারী এলি ফ্যাশন (ফ্যাশন এন্ড ডিজাইনার), হাসপাতাল রোড, মুন্সিপাড়া, দিনাজপুর।

ii.

বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও বিশিষ্ট নারী সংগঠক।

iii.

মানবাধিকার শান্তি পদক-২০১৮, সফল সমাজসেবক হিসেবে বিশেষ অবদানের জন্য, ইউনাইটেড মুভমেন্ট ফর হিউম্যান রাইটস

ছবি


সংযুক্তি

বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত ফাইল বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত ফাইল


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter